আমাদের gmail অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
* আপনার জি-মেইল পাসওয়ার্ডটি খুব শক্তিশালী হওয়া উচিত। এটিতে কমপক্ষে 12 অক্ষর থাকা উচিত এবং উচ্চতর এবং নিম্নতর অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষরগুলির সংমিশ্রণ থাকা উচিত।
* আপনার জি-মেইল পাসওয়ার্ডটি কখনই অন্য কোনও অ্যাকাউন্টের সাথে একই রাখবেন না।
* আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্টে 2Step যাচাইকরণ চালু করুন। এটি আপনার অ্যাকাউন্টে লগ ইন করার সময় আপনার ফোন নম্বরে একটি কোড পাঠানোর মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্টকে আরও নিরাপদ করবে।
আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্টটি নিয়মিত আপডেট করুন। এটি আপনাকে নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে যে আপনার অ্যাকাউন্টটি সবসময় সর্বশেষ সিকিউরিটি আপডেটগুলির সাথে আপ-টু-ডেট রাখুন।
আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার জন্য এই টিপসগুলি অনুসরণ করে আপনি হ্যাকারদের হাত থেকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যকে রক্ষা করতে পারেন।
ধন্যবাদ.….
#gmail #সুরক্ষিত
* আপনার জি-মেইল পাসওয়ার্ডটি খুব শক্তিশালী হওয়া উচিত। এটিতে কমপক্ষে 12 অক্ষর থাকা উচিত এবং উচ্চতর এবং নিম্নতর অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষরগুলির সংমিশ্রণ থাকা উচিত।
* আপনার জি-মেইল পাসওয়ার্ডটি কখনই অন্য কোনও অ্যাকাউন্টের সাথে একই রাখবেন না।
* আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্টে 2Step যাচাইকরণ চালু করুন। এটি আপনার অ্যাকাউন্টে লগ ইন করার সময় আপনার ফোন নম্বরে একটি কোড পাঠানোর মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্টকে আরও নিরাপদ করবে।
আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্টটি নিয়মিত আপডেট করুন। এটি আপনাকে নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে যে আপনার অ্যাকাউন্টটি সবসময় সর্বশেষ সিকিউরিটি আপডেটগুলির সাথে আপ-টু-ডেট রাখুন।
আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার জন্য এই টিপসগুলি অনুসরণ করে আপনি হ্যাকারদের হাত থেকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যকে রক্ষা করতে পারেন।
ধন্যবাদ.….
#gmail #সুরক্ষিত
02:12 PM - Sep 12, 2023 (UTC)
Sponsored by
OWT
3 months ago
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে তা দ্রুত ফিরে পেতে, নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করা উচিত:
* ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন থাকা সব ডিভাইস যাচাই করা: হ্যাকিং হওয়ার শঙ্কা থাকলে বা এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে যেসব ডিভাইসে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করা রয়েছে, সব ডিভাইস যাচাই করতে হবে।
* কোনো ডিভাইসে অ্যাকাউন্ট লগআউট না হয়ে থাকলে সে যন্ত্র দিয়েই অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের চেষ্টা করতে হবে।
* ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট হয়ে গেলে বা লগইন করা না গেলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে।
* পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা না গেলে ফেসবুকের ফাইন্ড * অ্যাকাউন্ট খুঁজুন অপশন ব্যবহার করতে হবে।
* এ জন্য ফেসবুকের নির্দিষ্ট ওয়েব ঠিকানায় গিয়ে অ্যাকাউন্টে যুক্ত ই-মেইল বা ফোন নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুঁজতে হবে।
* এ ছাড়া ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে অ্যাকাউন্টের নাম লিখে অ্যাকাউন্ট খোঁজা যেতে পারে।
* সার্চ ফলাফলে অ্যাকাউন্ট খুঁজে পেলে, সেখান থেকে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের চেষ্টা করা যাবে।
ফেসবুকে রিপোর্ট করা:
* অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে ফেসবুকে অভিযোগ জানাতে হবে।
* এর জন্য এই ওয়েবসাইটে (facebook.com/hacked) প্রবেশ করতে হবে।
* এরপর ‘মাই অ্যাকাউন্ট ইজ কম্প্রোমাইজড’ নির্বাচন করতে হবে।
* এরপর ফেসবুকের বর্তমান বা আগের পাসওয়ার্ড দিতে হবে।
* পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর ‘সিকিউর মাই অ্যাকাউন্ট’ নির্বাচন করার পর ‘আই ক্যান নট অ্যাকসেস দিস’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে।
আরো পড়ুন কমেন্ট বক্সে......
#ফেসবুক #সিকিউরিটি
* ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন থাকা সব ডিভাইস যাচাই করা: হ্যাকিং হওয়ার শঙ্কা থাকলে বা এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে যেসব ডিভাইসে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করা রয়েছে, সব ডিভাইস যাচাই করতে হবে।
* কোনো ডিভাইসে অ্যাকাউন্ট লগআউট না হয়ে থাকলে সে যন্ত্র দিয়েই অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের চেষ্টা করতে হবে।
* ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট হয়ে গেলে বা লগইন করা না গেলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে।
* পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা না গেলে ফেসবুকের ফাইন্ড * অ্যাকাউন্ট খুঁজুন অপশন ব্যবহার করতে হবে।
* এ জন্য ফেসবুকের নির্দিষ্ট ওয়েব ঠিকানায় গিয়ে অ্যাকাউন্টে যুক্ত ই-মেইল বা ফোন নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুঁজতে হবে।
* এ ছাড়া ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে অ্যাকাউন্টের নাম লিখে অ্যাকাউন্ট খোঁজা যেতে পারে।
* সার্চ ফলাফলে অ্যাকাউন্ট খুঁজে পেলে, সেখান থেকে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের চেষ্টা করা যাবে।
ফেসবুকে রিপোর্ট করা:
* অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে ফেসবুকে অভিযোগ জানাতে হবে।
* এর জন্য এই ওয়েবসাইটে (facebook.com/hacked) প্রবেশ করতে হবে।
* এরপর ‘মাই অ্যাকাউন্ট ইজ কম্প্রোমাইজড’ নির্বাচন করতে হবে।
* এরপর ফেসবুকের বর্তমান বা আগের পাসওয়ার্ড দিতে হবে।
* পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর ‘সিকিউর মাই অ্যাকাউন্ট’ নির্বাচন করার পর ‘আই ক্যান নট অ্যাকসেস দিস’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে।
আরো পড়ুন কমেন্ট বক্সে......
#ফেসবুক #সিকিউরিটি
05:13 PM - Sep 12, 2023 (UTC)
ফোনে স্পাইওয়্যার শনাক্ত করার জন্য কিছু কৌশল
ফোনের ব্যাটারি লাইফ পরীক্ষা করা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের ব্যাটারি লাইফের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
* ফোনের ব্যাটারি লাইফ হঠাৎ করে কমে গেলে বা অল্প ব্যবহারে ফোন গরম হয়ে গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
ফোনের কর্মক্ষমতা পরীক্ষা করা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের কর্মক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।
* ফোন হঠাৎ করে স্লো হয়ে গেলে বা অ্যাপস চালাতে সমস্যা হলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
অসম্বাভাবিক ফোন কল বা এসএমএস দেখা:
* স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর ফোনে থেকে গোপনে ফোন কল বা এসএমএস করতে পারে।
* ফোনে অস্বাভাবিক ফোন কল বা এসএমএস দেখা গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
অসম্বাভাবিক ডেটা ব্যবহার দেখা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের ডেটা ব্যবহার বাড়াতে পারে।
* ফোনের ডেটা ব্যবহার হঠাৎ করে বেড়ে গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
অসম্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেখা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।
* ফোনের তাপমাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
স্পাইওয়্যার ফোনের গোপনীয় তথ্য চুরি করতে পারে। স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করতে পারে। স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
প্রতিকারের উপায়:
* অনুমোদিত অ্যাপস ডাউনলোড করা।
* ফোনের সিকিউরিটি সেটিংস আপ টু ডেট রাখা।
* ফোনের জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা।
* ফোনের ব্যাটারি লাইফ, কর্মক্ষমতা, ফোন কল বা এসএমএস, ডেটা ব্যবহার এবং তাপমাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা
#স্পাইওয়্যার #অ্যাপস
ফোনের ব্যাটারি লাইফ পরীক্ষা করা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের ব্যাটারি লাইফের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
* ফোনের ব্যাটারি লাইফ হঠাৎ করে কমে গেলে বা অল্প ব্যবহারে ফোন গরম হয়ে গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
ফোনের কর্মক্ষমতা পরীক্ষা করা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের কর্মক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।
* ফোন হঠাৎ করে স্লো হয়ে গেলে বা অ্যাপস চালাতে সমস্যা হলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
অসম্বাভাবিক ফোন কল বা এসএমএস দেখা:
* স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর ফোনে থেকে গোপনে ফোন কল বা এসএমএস করতে পারে।
* ফোনে অস্বাভাবিক ফোন কল বা এসএমএস দেখা গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
অসম্বাভাবিক ডেটা ব্যবহার দেখা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের ডেটা ব্যবহার বাড়াতে পারে।
* ফোনের ডেটা ব্যবহার হঠাৎ করে বেড়ে গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
অসম্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেখা:
* স্পাইওয়্যার ফোনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।
* ফোনের তাপমাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে গেলে স্পাইওয়্যার থাকার সম্ভাবনা থাকে।
স্পাইওয়্যার ফোনের গোপনীয় তথ্য চুরি করতে পারে। স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করতে পারে। স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
প্রতিকারের উপায়:
* অনুমোদিত অ্যাপস ডাউনলোড করা।
* ফোনের সিকিউরিটি সেটিংস আপ টু ডেট রাখা।
* ফোনের জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা।
* ফোনের ব্যাটারি লাইফ, কর্মক্ষমতা, ফোন কল বা এসএমএস, ডেটা ব্যবহার এবং তাপমাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা
#স্পাইওয়্যার #অ্যাপস
05:27 PM - Sep 12, 2023 (UTC)
⚡️ ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ে সফল হতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কৌশল সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। নিচে উল্লেখ করা হলো:
✔️১. মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা:
ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি কি: ব্লকচেইন প্রযুক্তির মূল ধারণা এবং এটি কীভাবে কাজ করে তা বোঝা জরুরি। একইভাবে, বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সির (যেমন: বিটকয়েন, ইথেরিয়াম) প্রকৃতি ও তাদের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে।
বাজারের কার্যক্রম: ক্রিপ্টো মার্কেট ট্র্যাডিশনাল মার্কেটের মতো নয়। এর দাম হঠাৎ করে পরিবর্তিত হতে পারে। মার্কেটের গতিবিধি এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা দরকার।
✔️২. টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস:
চার্ট এবং গ্রাফ পড়া: ক্যান্ডেলস্টিক, ট্রেন্ডলাইন, সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল, এবং মুভিং এভারেজের মতো টুলগুলো ব্যবহার করতে জানতে হবে।
ইন্ডিকেটর ব্যবহার: RSI, MACD, Bollinger Bands, Fibonacci Retracement ইত্যাদি ইন্ডিকেটরগুলো সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে ট্রেডিং এর সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।
✔️৩. ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস:
প্রকল্পের মৌলিক ধারণা: কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছেন তা ভালোভাবে বুঝতে হবে। প্রকল্পের টিম, তাদের লক্ষ্য, রোডম্যাপ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।
বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ: কোন ক্রিপ্টোকারেন্সির চাহিদা ও সরবরাহ কেমন, তার ওপরও মূল্য নির্ভর করে। এই তথ্য বিশ্লেষণ করা দরকার।
✔️৪. রিস্ক ম্যানেজমেন্ট:
স্টপ লস এবং প্রফিট টার্গেট: ট্রেড শুরু করার সময় আপনার স্টপ লস এবং প্রফিট টার্গেট নির্ধারণ করে নিতে হবে। এর ফলে আপনি সম্ভাব্য ক্ষতি সীমিত করতে পারবেন।
পোর্টফোলিও ডাইভার্সিফিকেশন: সব পুঁজিকে এক জায়গায় বিনিয়োগ না করে, বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা উচিত।
✔️৫. মার্কেট সেন্টিমেন্ট ও নিউজ ফলো করা:
ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের গতিবিধি প্রায়ই মার্কেট সেন্টিমেন্ট দ্বারা প্রভাবিত হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ইভেন্ট (যেমন: বড় কোন দেশের রেগুলেশন আপডেট, প্রযুক্তিগত আপডেট) বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত সংবাদ পড়া এবং আপডেট থাকা দরকার।
✔️৬. ট্রেডিং প্লাটফর্ম ও টুলসের ব্যবহার:
বিভিন্ন ট্রেডিং প্লাটফর্ম (যেমন: Binance, Coinbase, Kraken) এবং তাদের টুলস সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার। প্লাটফর্মের ফিচার, ফি, এবং সিকিউরিটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
✔️৭. মানসিক প্রস্তুতি ও ধৈর্য:
ক্রিপ্টো ট্রেডিং অনেক সময় আবেগপ্রবণ হতে পারে। আপনি যদি নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। ধৈর্য ধারণ করা এবং সিদ্ধান্তহীনতা থেকে দূরে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
✔️৮. ট্রেডিং স্ট্রাটেজি তৈরি করা:
আপনি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে চান নাকি স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং করবেন, সেই অনুযায়ী নিজের স্ট্রাটেজি তৈরি করতে হবে। ডে ট্রেডিং, সুইং ট্রেডিং বা পজিশন ট্রেডিং—প্রত্যেকটির নিজস্ব কৌশল ও সময়সীমা আছে।
‼️ এই বিষয়গুলোর ওপর ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করে ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
Collect by Crypto Father
✔️১. মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা:
ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি কি: ব্লকচেইন প্রযুক্তির মূল ধারণা এবং এটি কীভাবে কাজ করে তা বোঝা জরুরি। একইভাবে, বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সির (যেমন: বিটকয়েন, ইথেরিয়াম) প্রকৃতি ও তাদের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে।
বাজারের কার্যক্রম: ক্রিপ্টো মার্কেট ট্র্যাডিশনাল মার্কেটের মতো নয়। এর দাম হঠাৎ করে পরিবর্তিত হতে পারে। মার্কেটের গতিবিধি এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা দরকার।
✔️২. টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস:
চার্ট এবং গ্রাফ পড়া: ক্যান্ডেলস্টিক, ট্রেন্ডলাইন, সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল, এবং মুভিং এভারেজের মতো টুলগুলো ব্যবহার করতে জানতে হবে।
ইন্ডিকেটর ব্যবহার: RSI, MACD, Bollinger Bands, Fibonacci Retracement ইত্যাদি ইন্ডিকেটরগুলো সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে ট্রেডিং এর সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।
✔️৩. ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস:
প্রকল্পের মৌলিক ধারণা: কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছেন তা ভালোভাবে বুঝতে হবে। প্রকল্পের টিম, তাদের লক্ষ্য, রোডম্যাপ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।
বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ: কোন ক্রিপ্টোকারেন্সির চাহিদা ও সরবরাহ কেমন, তার ওপরও মূল্য নির্ভর করে। এই তথ্য বিশ্লেষণ করা দরকার।
✔️৪. রিস্ক ম্যানেজমেন্ট:
স্টপ লস এবং প্রফিট টার্গেট: ট্রেড শুরু করার সময় আপনার স্টপ লস এবং প্রফিট টার্গেট নির্ধারণ করে নিতে হবে। এর ফলে আপনি সম্ভাব্য ক্ষতি সীমিত করতে পারবেন।
পোর্টফোলিও ডাইভার্সিফিকেশন: সব পুঁজিকে এক জায়গায় বিনিয়োগ না করে, বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা উচিত।
✔️৫. মার্কেট সেন্টিমেন্ট ও নিউজ ফলো করা:
ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের গতিবিধি প্রায়ই মার্কেট সেন্টিমেন্ট দ্বারা প্রভাবিত হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ইভেন্ট (যেমন: বড় কোন দেশের রেগুলেশন আপডেট, প্রযুক্তিগত আপডেট) বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত সংবাদ পড়া এবং আপডেট থাকা দরকার।
✔️৬. ট্রেডিং প্লাটফর্ম ও টুলসের ব্যবহার:
বিভিন্ন ট্রেডিং প্লাটফর্ম (যেমন: Binance, Coinbase, Kraken) এবং তাদের টুলস সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার। প্লাটফর্মের ফিচার, ফি, এবং সিকিউরিটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
✔️৭. মানসিক প্রস্তুতি ও ধৈর্য:
ক্রিপ্টো ট্রেডিং অনেক সময় আবেগপ্রবণ হতে পারে। আপনি যদি নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। ধৈর্য ধারণ করা এবং সিদ্ধান্তহীনতা থেকে দূরে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
✔️৮. ট্রেডিং স্ট্রাটেজি তৈরি করা:
আপনি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে চান নাকি স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং করবেন, সেই অনুযায়ী নিজের স্ট্রাটেজি তৈরি করতে হবে। ডে ট্রেডিং, সুইং ট্রেডিং বা পজিশন ট্রেডিং—প্রত্যেকটির নিজস্ব কৌশল ও সময়সীমা আছে।
‼️ এই বিষয়গুলোর ওপর ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করে ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
Collect by Crypto Father
11:46 AM - Oct 09, 2024 (UTC)